বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬

১১ দল ও ৭ দলের যোগবিয়োগ

মুহাম্মাদ গোলাম রব্বানী ইসলামাবাদী

ভাবনা-৮১ 

গত ১৬ই জুলাই, বৃহস্পতিবার ফটিকছড়ির জামিয়া বাবুনগরে ১১ দলের শরীক ৭টি কওমী দলের আলাদা জোটের ভবিষ্যৎ নিয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। খবরে জানা যায়, কওমী আদর্শের ৭ দলের ভবিষ্যতে ঐক্যবদ্ধ রাজনীতিক পথযাত্রা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় সেখানে। জানা যায়, মৌলিকভাবে সবাই ঐক্যবদ্ধ রূপরেখা নিয়ে একমত পোষণ করেন। পাশাপাশি ৭ দলের প্রত্যেক সদস্য কিভাবে ঐক্যবদ্ধ যাত্রায় অংশ নেবেন সে ব্যাপারে পৃথক-পৃথক রূপরেখা উপস্থাপন করবেন বলে সিদ্ধান্ত হয় এবং তা আলোচনার জন্য আরও একটি পূর্ণাঙ্গ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এই ছিলো গত ১৬ই জুলাইয়ের বৈঠকে সারাংশ। 

১১ দলের কথা এখানে আর চর্বিত চর্বণ করে আর লাভ নেই। আসা যাক, কওমী ৭ দলের বিষয়ে। এখানে একটি কথা মনে রাখা দরকার। তা হলো, পৃথিবীতে কোন জনগোষ্ঠীর অবস্থান ও চরিত্র অপরিবর্তনীয় নয়। সময়, অভিজ্ঞতা ও চাহিদার আলোকে ব্যক্তি থেকে দল—সবাই নিজনিজ অবস্থান পর্যালোচনা করতে বাধ্য হয়। এটা দোষের কোন বিষয় নয়। যেমন, রাসুলুল্লাহ সা.’র যুগে মহিলারা মসজিদের গিয়ে নামায আদায়ের সুযোগ পেতেন। কিন্তু পরবর্তীতে দ্বিতীয় খলিফা হযরত উমর ফারুক রজি.আনহু পরিস্থিতি বিবেচনায় মহিলাদের মসজিদে জামাতে আসতে বারণ করেন। সেই থেকে মুসলিম মহিলারা ঘরেই নামায আদায় করেন। আমাদের ৭ দলের নেতৃবৃন্দ যেভাবেই হোক কোন না কোন কারণে জামায়াতের নেতৃত্বে ১১ দলের শরীকে যোগ দিয়েছিলেন। কিন্তু তাঁরা তো জামায়াতে যোগ দেননি বা জামায়াতের বাতিল আকীদায় বিশ্বাসের দাবিও করেননি। তবে এটা ঠিক যে, তাঁদের ভুল সিদ্ধান্তের কারণে কওমী-জগতের দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতি হয়। কওমীদের মধ্যে জামায়াতের প্রতি দুর্বল ও জামায়াতের পক্ষ নিয়ে কওমীদের দোষারোপকারী একটি শ্রেণীর সৃষ্টি হয়। তাদেরকে তা-বিলের মাধ্যমে মাও.মওদূদীর আপত্তিকর ব্ক্তব্যগুলোর যথার্থতা প্রমাণের চেষ্টা করতেও দেখা যায়। সেটা করতে গিয়ে তারা আমাদের মহান আকাবির রহি.আনহু’র দুর্বলতাও খোঁজার চেষ্টা করে। কওমীদের মধ্যে ১১ দলের কারণে সৃষ্ট এই আদর্শিক ক্ষতি অভূতপূর্ব ও অমোচনীয়। এখানে আরও একটি কারণ উল্লেখযোগ্য। ১১ দলের নেতৃত্ব ছিলো জামায়াতের হাতে যারা কওমীদের মতে একটি বাতিল ফিরকা ও আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামায়াত থেকে বিচ্ছিন্ন। এটি একটি উসূলী পদস্খলন বৈ কিছু নয়। কারণ, ইসলাম অবশ্যই পরিস্থিতি বিবেচনায় কোন বাতিল দল বা অমুসলিম জনগোষ্ঠীর সাথে সমায়িক জোট গঠনের বৈধতাকে অস্বীকার করে না। তবে শর্ত হলো, নেতৃত্ব বিশুদ্ধ আকীদার মুসলিদের হাতে থাকতে হবে। মদীনা সনদের মাধ্যমে অভিশপ্ত ইহুদীদের সাথে সন্ধি হয়েছিলো বটে কিন্তু তা কখনো ইহুদীদের নেতৃত্বে নয় বরং নবী করীম সা.’র নেতৃত্ব ও কর্তৃত্বে। পাকিস্তানে ৯০’র দশকে জমিয়তে ইসলাম, জামায়াতে ইসলামী, ব্রেলভী হযরাত, শিয়াদের তাহরীকে জাফরী, আহলে হাদীস প্রভৃতি দল নিয়ে মুত্তহিদা মজলিসে আমল বা এমএমএ গঠিত হয়ে পুরো পাকিস্তানে ২০০২ সালের সাধারণ নির্বাচনে ৬৩টির মতো আসনে জয়লাভ করতে সক্ষম হয়। এ জোটের নেতৃত্ব ছিলো জমিয়তের সভাপতি মাওলানা ফজলুর রহমানের হাতে। কোন বাতিল আকীদার দলের হাতে নয়। 

কেউকেউ বলতে পারেন, ১১ দলে কওমীদের অংশগ্রহণে কওম্যিাতের ক্ষতির কথা অতিরঞ্জন মাত্র। আমার এক লেখায় আমি উল্লেখ করেছি, কিছুদিন আগে একজন শুভাকাঙ্খী আমাকে জানান: একজন কওমী ফারিগ যিনি আপন পেশায় প্রতিষ্ঠিত ১১ দলের ঐক্যে অনুপ্রাণিত হয়ে জামায়াতের রুকন হবার তদবীরে লিপ্ত হয়েছেন। সম্প্রতি এমনই এক কওমী আলিম যিনি মাদরাসার বাইরে নিজ পেশায় কর্মরত, আমাকে ফোন করেন তার হতাশার কথা জানাতে। হতাশা হলো: এখন বর্তমানে কওমী আলিমদের একটি অংশ মাও. মওদূদীর সমালোচনা করতে গিয়ে যেভাবে সীমা অতিক্রম করে চলেছেন তা কাঙ্খিত নয়। তার কথায়: কেউ বলছেন মাও.মওদূদীর নামের আগে ‘জনাব’ বলা যাবে না; ‘মাওলানা’ বলা যাবে না; নামের শেষে ‘সাহেব’ বলা যাবে না ইত্যাদি—এগুলো তো রুচিপূর্ণ নয়। সাহাবায়ে কেরামের সত্যের মাপকাঠি হওয়া নিয়ে মাওলানা মওদূদী রহ.(তার কথায়) যা বলেছেন তার মূলভাব বুঝতে হবে। তিনি বলেন: আমাদেরকে আল্লাহ ও রাসূলের আনুগত্য করার কথা বলা হয়েছে, সাহাবীরাও তদ্রূপ অনুসারী। তার কথায়: যারা মিয়ারে হক নিয়ে মওদূদী সাহেবের( রহ.) সমালোচনা করছেন তারা তাঁর কথাকে সঠিকভাবে বুঝতে পারেননি। এক পর্যায়ে তিনি মওদূদী সাহেবের নাম নিয়ে বলেন, “মওদূদী সাহেবের নামের শেষে রহমাতুল্লাহি আলাইহ্ বলতে হবে।” তার কথায়: হযরত আমীরে মুয়াবিয়া(রজি.আনহু বলেননি) ইয়াজিদকে ক্ষমতা দিয়েছেন মুলুকিয়্যাতের কারণে, নিজের ছেলে বলে। এ কারণেই তো কারবালা সংঘটিত হয়েছে। এই হলো ঐ কওমী আলিমের বক্তব্যের নমুনা। আমি তার কথায় হিসাব করে দেখলাম, তিনি আমার সাথে যতোক্ষণ কথা বলেছেন পাঁচবার মাও. মওদূদীর নাম নিয়েছেন এবং প্রতিবার নামের শেষে ‘রহ.’ বলেছেন কিন্তু মুয়াবিয়া রজি.আনহুর নাম নিয়েছেন পাঁচবার আর নামের শেষে রজি.আনহু বলেছেন মাত্র একবার। বাকি চারবার কেবল ‘আমীরে মুয়াবিয়া’ বলেছেন। এই হলো কওমীর নুন-পানি খাওয়া এক আলিমের বর্তমান বক্তব্যের ধরন। 

জামিয়া বাবুনগরে গত ১৬ই জুলাইয়ের বৈঠক এবং ১৭ই মে রোববারের বৈঠকটিতে সশরীরে উপস্থিত ছিলেন ১১ দলের গুরুত্বপূর্ণ শরীক বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস প্রধান মাও.মামুনুল হক। উভয় বৈঠকে মাও.মামুনুল হক এবং পররব্তী বৈঠকে ১১ দলের ৭ দলের নেতৃবৃন্দ একটি কথা বারবার বলেছেন আর তা হলো, তাঁরা জামায়াত নেতৃত্বাধীন নির্বাচনী সমঝোতায় কোন আদর্শিক দিক থেকে শরীক হননি বরং তা ছিলো নিছক নির্বাচনী ও রাজনীতিক ঐক্য। অর্থাৎ, তাঁরা বলতে চেয়েছেন: সমঝোতা আদর্শভিত্তিক ছিলো না বরঞ্চ রাজনীতিনির্ভর ছিলো। এখানে স্পষ্টতঃই আদর্শ ও রাজনীতির মধ্যে একটি বিভাজিত রেখা টানা হয়েছে। যে রেখা আমাদেরকে এমন ধারণা দেয় যে, এ ধরনের সমঝোতায় আদর্শ ও রাজনীতি পৃথক থাকবে। এখানে তাঁরা আদর্শ বলতে মূলত ইসলামের অপরিহার্য নীতি ও আকীদাগত শর্তাবলীকে বোঝানো হয়। আমি আবারও বলছি, ভিন্ন মতাবলম্বী জাতি-গোষ্ঠীর সাথে নিছক পার্থিব উদ্দেশ্যে বা ইসলামের জন্য অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি সম্ভাবনার উদ্দেশ্যে সাময়িক সহাবস্থান অবৈধ নয়। তবে তা যদি সীরাতে রসূল সা. এবং সলফে সালেহীনের অনুসৃত পথে আহলে হকের নেতৃত্ব ও কর্তৃত্বে এবং একটি লিখিত দলীলে আবদ্ধ না হয় তবে তা কোনভাবেই আদর্শিক বা ঐতিহ্যবাহী বৈধতা পেতে পারে না। যেহেতু তাঁরা ১১ দলীয় সমঝোতাকে আদর্শের বাইরে বলে দাবি করছেন তাতে উল্লেখিত শর্তারোপে আবদ্ধ থাকার অনিবার্যতাকে অস্বীকার করছেন বলে মনে হয়। এ ধরনের অলিখিত ও নিছক রাজনীতিক বলে দাবিকৃত সমঝোতা বা জোট আহলে হকের জন্য বড় বিপদের কারণ হবে বলে মন হয়। নির্বাচন(২০২৬) পূর্ববর্তী এবং পরবর্তী পরিস্থিতি প্রমাণ করেছে, ১১ দলের অভ্যন্তরীণ কওমী দলগুলোর কারণে বাংলাদেশে মূলধারার ইসলামের উপর কতো বড় বিপদ নেমে এসেছে। এ বিপদ এসেছে সংশয়পূর্ণ একটি নিছক পার্থিব সমঝোতা সংঘটনের মধ্য দিয়ে। ইতিহাস একদিন এর সঠিক মূল্যায়ন করবে। ১৯৭৬ সালেও আইডিএল গঠনের মধ্য দিয়ে বিপদ এসেছিলো এবং সেই বিপদের ঝাপটায় নেজামে ইসলাম পার্টি চিরতরে জাদুঘরে চলে যেতে বাধ্য হয়। 

এখানে আরও একটি কথা বলতে হয়। ১১ দলের সমঝোতা যদি নিছক রাজনীতিক হয়ে থাকে যেমনটি তাঁরা দাবি করেছেন, তাহলে সেটিকে আবার সকল ইসলামী শক্তির ঐক্য কি করে বলা যায়? বড়জোর ডানপন্থী কিছু দলের সমঝোতা বলা যায়। বিদেশী কূটনীতিকদের সাথে আলাপে নেতৃত্বদানকারী জামায়াত তো নিজেদেরকে সরাসরি উদার গণতান্ত্রিক দল হিসাবে উপস্থাপন করেছে এবং তাদের সর্বশেষ প্রস্তুতকৃত গঠনতন্ত্রে ইসলাম বা কুরআনের শাসনের কোন নামগন্ধও রাখা হয়নি। এমন দলের সাথে ৭ কওমী দলের সমঝোতা কতোটুকু নৈতিক, সে প্রশ্নকে তো দাফন করা যায় না। মাও.মামুনুল হক ও অন্যান্যদের কথামতো সমঝোতা আদর্শবিহীন রাজনীতিক হলে সেক্যুলাররা যেভাবে ধর্ম(আদর্শ) ও রাজনীতিকে পৃথক রাখার আকীদা পোষণ করে তার সাথে কি মুশাবাহ বা সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়ে যায় না?    

জামিয়া বাবুনগরের বৈঠক নিয়ে আরও কিছু কথা বলা দরকার। অনেকে বৈঠকটির আপাত ফলাফল নিয়ে আশাবাদী। আমিও আশাবাদী। যেহেতু মু’মিনের ডায়েরীতে নিরাশ হবার কোন সুযোগের কথা লিখা নেই তাই আমিও নিরাশ হবার পক্ষপাতি নই। মু’মিন যদি তাঁর কাজে মুখলিস হয়ে থাকে তবে মৃত্যুর পূর্বমহূর্ত পর্যন্ত তাঁর মিশন চালিয়ে যাবে। ইতিহাসে লিখা আছে, কালাপানির বন্দী শিবির থেকে মুক্তির পর হযরত শাইখুল হিন্দ রহ. যখন শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েন এবং চলাফেরা করতে অক্ষম হয়ে যান, ঘরের বিছানাতে বসেই তলোয়ার হাতে নিয়ে চালানোর কসরত করতেন। বিষয়টি সত্তরে দশকে জীবনের শেষ অবস্থায় মুফতী শফী সাহেব রহ. রেডিও পাকিস্তানকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তুলে ধরেন। তাঁর কথায়: তখন তিনি মাত্র চার-পাঁচ বছরের একজন শিশু। হযরত তাঁর সাক্ষাৎকারে বলেন: শিশু অবস্থাতেই তিনি খেলতে-খেলতে একদিন দুপুরে শাইখুল হিন্দের কামরায় ঢুকে যান। ঢুকেই তিনি বিছানায় বসা হযরতের অসি চালানোর দৃশ্য দেখে অবাক হয়ে যান। কারণ, এমন দৃশ্য তিনি এই প্রথম দেখলেন। শিশুসুলভ ভঙ্গীতে জানতে চাইলেন,“ইয়ে কিয়া হো রাহা হ্যায়?” হযরত শাইখুল হিন্দ রহ. স্নেহভরে জবাব দিলেন: কি করবো, শরীর তো চলে না; খিলাফাতের জিহাদে যেতে পারছি না, তাই কমপক্ষে বিছানায় বসেই তলোয়ার চালাচ্ছি। এই হলো শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত মিশন চালিয়ে যাওয়া এক মহান সিপাহসালারের অনবদ্য দাস্তান। অনুরূপভাবে আহুত ৭ দলের ঘোষিত ঐক্য-সম্ভাবনা নিয়ে এখানে আশাবাদী হবার কোন বিকল্প নেই। তবে কথা হলো, কওমীদের সাংগঠনিক অতীতের অভিজ্ঞতা মোটেও সুখকর নয়। শত দলে বিভক্ত হবার নযীর আমাদের কাছে একবারে ছেলেখেলা। সেই হাফেজ্জী হুযূর রহ.’র খেলাফত আন্দোলন থেকে দেখে আসছি, এক থেকে কতো শাখা-প্রশাখা ছড়িয়ে আছে। মতের দিক থেকেও কওমীদের অনেক নদী-ছড়া। মরমর করে বেঁচে আছে।

পরিশেষে একটি কথা বলে রাখতে হয়, আহুত ৭ দল যদি একটি লিখিত সনদে দস্তখত করতে রাজি হয় যে, তাঁরা কখনো সনদ ভাঙ্গবে না এবং একটি সর্বসম্মত লিখিত সংবিধানের আলোকে সকল মতের সমন্বয়ে সকল সমস্যার সমাধান করবে—তবেই আমাদের আশার আলো দিনদিন ছড়িয়ে যাবার সুযোগ পাবে। এর জন্য প্রথমে প্রয়োজন মেধাবী ও অভিজ্ঞ কওমীদের দিয়ে একটি খসড়া রূপরেখা তৈরি যেন যাচাই-বাছাইয়ের পর প্রথম পাঁচ বছর একটি পরীক্ষামূলক পথযাত্রা সম্পন্ন করা যায়। এই পাঁচ বছরের সঞ্চিত অভিজ্ঞতাকে পুঁজি করে একটি স্থায়ী সংবিধান প্রণয়ন করা যেতে পারে যা কেউই ভাঙ্গবে না মর্মে সম্মিলিত লিখিত অঙ্গীকারনামা দেবেন। এখানে থাকবে একটি সুপ্রিম কাউন্সিল যারা কোন বিষয়ের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন। যদি গতানুগতিভাবে আমীরে হেফাজত যখন ডেকেছেন, কি আর করা, ক’দিন করেই দেখি—এমন মানসিকতা থাকে তবে কোন বৈঠকেই সুফল বয়ে আসবে না। নিজেদের ব্যর্থতার দায় কেবল অন্যের ষড়যন্ত্রের উপর চাপিয়ে দিয়ে পরিত্রাণ পাবার চেষ্টাকে পরিহার করতে হবে। অন্যথায় আমাদেরকেই আমাদের আঘাতে হতাহত হতে হবে। আল্লাহর কাছে করজোরে আবেদন করি, এ ঐক্য যেন অটুট থাকে সে তাওফিক দিন। আমিন।

-MGRI

কোন মন্তব্য নেই:

Featured Post

১১ দল ও ৭ দলের যোগবিয়োগ

মুহাম্মাদ গোলাম রব্বানী ইসলামাবাদী ভাবনা-৮১  গত ১৬ই জুলাই, বৃহস্পতিবার ফটিকছড়ির জামিয়া বাবুনগরে ১১ দলের শরীক ৭টি কওমী দলের আলাদা জোটের ভবিষ্...