বুধবার, ৬ আগস্ট, ২০২৫

বিএনপি’র মাদরাসা পরিদর্শন ও বামপন্থী ভাবধারা

মুহাম্মাদ গোলাম রব্বানী ইসলামাবাদী

ভাবনা-৬৬ 

গত ১লা আগস্ট ২০২৫, শুক্রবার বিএনপির একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল স্থায়ী কমিটির সদস্য জনাব নজরুল ইসলাম খান ও সালাহ উদ্দীনের নেতৃত্বে চট্টগ্রামের হাটহাজারী মাদরাসা পরিদর্শন ও ফটিকছড়িতে জামিয়া বাবুনগরে হেফাজত আমীরের সাক্ষাৎ করেন। তাঁদের ভাষ্যমতে, বিএনপি’র ভাইস চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের নির্দেশে তাঁরা এ সফর করেন। বিষয়টি নিয়ে আম জনতায় বিশেষ করে হেফাজতে ইসলামের ভেতরে কৌতুহল সৃষ্টি হয়েছে।

বিএনপি হঠাৎ করে কেন হেফাজতের দূর্গে পা রাখলো সে বিষয়ে নানা গুঞ্জন থাকা স্বাভাবিক। বাহ্যত বিষয়টিকে সরলভাবে দেখা হলেও প্রকৃতার্থে সরল ছিলো না। এর পেছনে কিন্তু রাজনীতির ছাপকে সহজে বোঝা যায়। আমার যতোটুকু মনে হয়, সফরটি কেবল সৌজন্য সাক্ষাতের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিলো না। কারণ, বিএনপি দেশে-বিদেশে বিভিন্ন সফর করেছে কিন্তু সুদূর অতীতে কখনো হাটহাজারী মাদরাসা বা আলিম-উলামাদের সাথে সাক্ষাৎ করেছেএমন নযীর আমি পাইনি। শাপলার আন্দোলন, মুদিবিরোধী আন্দোলনঅনেক কিছুই তো হলো, বিএনপিকে এমন সফর করতে দেখা যায়নি। মনে আছে, শাপলার রাতে বেগম খালেদা জিয়া যখন নেতাকর্মীদেরকে হেফাজতের পাশে দাঁড়াতে বলেন, তখনও বিএনপি নেতৃবৃন্দ তাতে সাড়া দেননি। এর পর অনেক সময় গড়িয়েছে, অনেক সূর্য উঠেছে-ডুবেছে, বিএনপি প্রত্যক্ষভাবে নিগৃহীত আলিম-উলামার পাশে এসে দাঁড়িয়েছে বলে জানা যায় না। কেন জানি মনে হয়, অজানা কারণে বিএনপি দীর্ঘদিন থেকে আলিম-উলামার সাথে একটি নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর। যতোটুকু জানা যায়, চারদলীয় জোটের বিজয়ের পর বিএনপি যখন ক্ষমতাসীন হয়, দেখা যায়, আলিম-উলামার সাথে বিএনপি একটি বিমাতাসুলভ আচরণ করেছে। অভিযোগ আছে, বিএনপি নেতৃত্ব চারদলীয় আন্দোলন চলাকালে আলিম নেতৃবৃন্দকে দেয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেনি। সে সময় বিএনপি’র মহাসচিব ছিলেন প্রয়াত আব্দুল মান্নান ভুইয়াঁ। অথচ চারদলীয় জোটের আন্দোলন ও জোটের বিজয়ে আলিম-উলামার বিশাল অবদান অনস্বীকার্য। তৎকালীন চারদলীয় জোটের অন্যতম নেতা মুফতী ইজহারুল ইসলাম চৌধুরী একবার আমাকে আব্দুল মান্নান ভুইয়াঁর স্বাক্ষরিত একটি চিঠি দেখান যেখানে তাঁকে একটি দেশে রাষ্ট্রদূত হিসাবে দায়িত্ব প্রদানের প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়। কিন্তু সে প্রতিশ্রুতি পরে রক্ষা করা হয়নি। আমি এখানে তিনি রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব পালনে সক্ষম কি সক্ষম নয়সে প্রশ্ন না তুলে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের নযীরটি তুলে ধরছি। অভিযোগ রয়েছে, চারদলীয় জোটের অন্যতম সহযোগী জামায়াতের প্ররোচনায় কওমী আলিম নেতৃবৃন্দকে বিএনপি মূল্যায়ন করেনি।

আমি একটি কথা দীর্ঘদিন থেকে বিশ্বাস করি। তা হলো, আওয়ামী লীগ আত্মস্বীকৃত সেক্যুলার এবং বিএনপি অঘোষিত সেক্যুলার দল। ইতিহাসের দিকে ফিরে তাকালে দেখা যায়, বিএনপি গঠিত হয়েছিলো মূলত মাও. আব্দুল হামিদ খান ভাসানী রহ.’র ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি বা ন্যাপের অধিকাংশ সদস্য নিয়ে। এই যে বিএনপি’র ধানের শীষ প্রতীক দেখছেন সেটাও ভাসানী ন্যাপের। তখন ছিলো ‘ধানের ছড়া’ আর বিএনপি সেটাকে বানালো ‘ধানের শীষ’। ভাসানী ন্যাপের ছায়ায় নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষায় বামপন্থী সেক্যুলাররা জিয়ার দেশ গড়ার আহ্বানে বিএনপিতে যোগ দেয়। কিন্তু বেশ ক’জন যোগ দেয়া নেতা বিএনপিতে থেকেও তাদের বামপন্থী ও সেক্যুলার ধ্যান-ধারণামুক্ত হতে পারেননি। ফলে জিয়ার জবিদ্দশায় এসব নেতা নিজেদের খোলস ছেড়ে বের হতে না পারলেও বেগম খালেদা জিয়ার সময়ে ঠিক-ই খোলস ছেড়ে কর্মকাণ্ড চালাতে থাকে। তবে প্রকাশ্যে নয়। বিএনপির প্রয়াত মহাসচিব আব্দুল মান্নান ভুইয়া ও বর্তমান মহাসচিব ফখরুল ইসলাম আলমগীর সে দলেরই অন্তর্ভুক্ত। এরা সবাই এসেছেন বামপন্থী ছাত্র ইউনিয়ন থেকে। দুর্ভাগ্যজনক হলো, বেগম খালেদা জিয়াও মহাসচিব নিয়োগে এসব কট্টরপন্থী বাম সেক্যুলারদের বেছে নেন। এরাই মূলত বিএনপিকে ভেতর থেকে সেক্যুলার রঙ দিতে তৎপর হয় এবং জিয়ার বিএনপিকে আদর্শহীন করে তোলে। বর্তমানে একজন বিশিষ্ট টকশো আলোচককে দাবি করতে শুনেছি, ২০১৩ সালের শাপলার ক্র্যাকডাউন নিয়ে শেখ হাসিনা যে গোপন বৈঠক ডাকেন তাতে বর্তমান বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাসও উপস্থিত ছিলেন। বিষয়টি নিয়ে দেখলাম কেউ কথা বলেননি। সারকথা হলো, বিএনপি এখন আর জিয়ার বিএনপি নেই। এর প্রমাণ পাই, মির্জা ফখরুলের বিভিন্ন বয়ানে। তিনি ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে ভারতে গিয়ে সেখানকার সাংবাদিকদেরকে বলেছিলেন‘বিএনপি শরীয়া আইনে বিশ্বাস করে না।’(২৯শে ডিসেম্বর ২০১৮, দৈনিক ইত্তেফাক) দেখুন কথাটি কতোই মারাত্মক। একেজন মুসলমান এ কথা বলার পর মুসলিম থাকে কি না; তার বিয়ের শরয়ী বন্ধন অটুট থাকে কি না; তাওবা ও বিবাহ নবায়ন ব্যতিরেকে মুসলমানের কবরস্থানে তাকে কবর দেয়া বৈধ কি নাএসব বিষয়ে ফয়সালা হওয়া দরকার ছিলো। আশ্চর্য হলাম, দেশের কোন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে এসব প্রশ্ন তোলা হয়নি। অথচ বিএনপিকে কেউকেউ বলেন: ইসলামী মনোভাবাপন্ন। ধারণাটির কোন ভিত্তি আছে বলে মনে করি না। হ্যা, বিএনপির সেক্যুলার আওয়ামী লীগের মতো উগ্র ও ইসলামবিদ্বেষী নয়। জনাব ফখরুল ইতোমধ্যে মন্তব্য করেছেন: রাজনীতিতে ডানপন্থী বা দক্ষিণপন্থীদের উত্থানে তিনি শঙ্কিত।(২৯শে জুলাই, ২০২৫, প্রথম আলো) এখানে তিনি জামায়াতের দিকে আঙ্গুল তোলেননি, তুলেছেন আলিম-উলামার দিকে। তিনি শঙ্কিত হলে তো জামায়াতের কথা বলতেন। জামায়াতও তো দক্ষিণপন্থী। তাদেরকেই তো মন্ত্রীত্ব দিয়ে গাড়িতে জনাব ফখরুলরা জাতীয় পতাকা তুলে দিয়েছিলেন। মনে আছে সে কথা? এসব লোকের কাছে আমাদের আলিম-উলামার কেউ যখন কোন সুবিধা নিতে যান তখন তো আমাদেরও লজ্জিত হতে হয়।


বিএনপি এখন আর ডানপন্থী কোন দল নয়। তাই তো মির্জা ফখরুলদের এই শঙ্কা। মহাসচিব পদে তাঁর নিয়োগে একটি পত্রিকা খবর করে, ‘ডানমুখী বিএনপিতে আবার বাম ঘরানার মহাসচিব।’(বিডি নিউজ ২৪ ডট কম, ৩০শে মার্চ ২০১৬) আওয়ামী লীগ থেকে আসা ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি এডভোকেট ফজলুর রহমানের মাদরাসা ও ইসলামপন্থীদের নিয়ে কুৎসিৎ ও কটাক্ষপূর্ণ বক্তব্য সম্পর্কে সবাই জানেন। এগুলো মূলত বিএনপি’র বাম দিকে রথযাত্রার প্রধান নিদর্শন। উল্লেখ্য, বিএনপির মধ্যে এ অবক্ষয় শুরু হয় প্রধানত সাবেক মহাসচিব মারহুম আব্দুস সালাম তালুকদারের ইন্তিকালের পর থেকে। শুধু ধর্মীয় দিক বলে কথা নয়, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব প্রশ্নে বিএনপি’র নমনীয় অবস্থান এবং ভারতের সহানুভূতি অর্জনের প্রচেষ্টার পেছনে এই বামপন্থী লবীর যথেষ্ট অবদান রয়েছে। সর্বশেষে ড. ইউনুস সরকার আসার পর আওয়ামী লীগ, ফ্যাসিবাদের বিচার, সংস্কার ও নানা প্রশ্নে বিএনপি জনগণের অভিপ্রায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়া শুরু করে। বিষয়গুলো জনমনে তীব্র অসন্তোষ সৃষ্টি করে। অভিযোগ আছে, ভাইস চেয়ারম্যান তারেক জিয়াও এসব বামপন্থী লবীর প্রতি সহানুভূতিশীল। তাই তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয় না। ২০১৮ সালের বিতর্কিত নির্বাচনে কট্টর আওয়ামী লীগার ড. কামালের ইমামতিতে হাসিনার গ্যাঁড়াকলে বিএনপিকে ফাঁসানোর নেপথ্য নায়ক বর্তমান মহাসচিব এই বামপন্থী ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মূলত এরাই জিয়ার বিএনপিকে ভেতর থেকে ধ্বংস করে দেয়। তা না হলে, বিএনপি নেতা আমীর খসরুকে বিজেপি নেতা অমিত শাহের সামনে মাথা নত করে দাসসুলভ নিবেদনের কি রহস্য আছে? জাতি এসব জানতে চায়। ১৯৯১ সালের এরশাদবিরোধী গণঅভ্যুত্থানের কথা সবার জানা আছে। সে সময় জনঅভুত্থানের বড় শক্তি ছিলো বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্র দল। সেই ছাত্রদলকে তৎকালীন মহাসচিব আব্দুল মান্নান ভুইয়াঁ দুর্বল থেকে দুর্বলতর করে দেন। ফলে বেগম খালেদা জিয়াকে জেলে নেয়ার দৃশ্য বিএনপিকে নীরবে সহ্য করতে হয়। তাদের কিছুই করার ছিলো না। এ ছিলো এক লজ্জাষ্কর অধ্যায়। এমন কি বেগম খালেদা জিয়াকে সেনানিবাসের বাসা থেকে উচ্ছেদ নিয়ে কোন প্রতিক্রিয়াও দেখাতে পারেনি নেতৃবৃন্দ। এ ব্যর্থতায় ফখরুলের পদত্যাগ করা ছিলো তাঁর নৈতিক দায়িত্ব। কিন্তু করেননি। এর একটি বড় কারণ, বামপন্থী মেজাজের এসব নেতৃবৃন্দ সম্ভবত ডানপন্থী বেগম খালেদা জিয়াতে স্বস্তিতে ছিলেন না। বরঞ্চ হাসিনার আমলে বেগম জিয়ার কারান্তরীণ ও গৃহবন্দীত্বে বামপন্থী নেতারা স্বস্তিতেই ছিলেন বলে মনে হয়। তা না হলে, বেগম জিয়ার জন্য তাঁরা ফলপ্রসূ কী করতে পেরেছিলেন? কোন জবাব আছে?

এখানে একটি প্রশ্ন জাগতে পারে, তাহলো: শহীদ জিয়ার বিএনপি’র এ দশা হলো কি করে? বিষয়টি বোঝার জন্য বিএনপি’র ইতিহাস বোঝা দরকার। তার আগে একটি প্রশ্ন করা প্রয়োজন। প্রশ্নটি হলো, কেন শহীদ জিয়া দল গঠন করেছিলেন? শুনুন তবে খোদ জিয়ার লেখায়, “এখন আপনারা দেখছেন রাজনীতি কত বড় শক্ত কাজ। বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদকে জনগণের টার্গেট করতে হবে। বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ ও জনগণ এবং বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ ও দর্শনএ দুটোকে মিলিয়ে দিতে হবে। তাহলেই আমরা সফল হবো।”(আমার রাজনীতির লক্ষ্য, শহীদ জিয়ার রাজনীতির লক্ষ্য বিএনপি’র গোড়ার কথা পৃ:২২, প্রথম প্রকাশ ১৯৮৯, সম্পাদনা: অধ্যাপক মাজিদুল ইসলাম, ঢাকা) কি সেই বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ? বিএনপি’র ক’জন নেতা আজ বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের চেতনাকে ধারণ করে? বিশ্বাস করে? খোদ তারেক রহমানই কি বোঝেন এই দর্শন? বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ মানে ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরোধিতা; ভারতীয় হিন্দুত্ববাদের প্রতিকল্প এবং সর্বোপরি স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার সংগ্রাম। আজ সেখানে বিএনপি’র তথাকথিত নেতারা ভারতের বেদীতে পূজোর আস্বাদ নিতে দিওয়ানা। যেদিন থেকে এসব বাম ঘরানার নেতারা বিএনপিতে ধীরেধীরে তাদের সেক্যুলার ধ্যান-ধারণা প্রতিষ্ঠিত করতে নকশা সৃষ্টি করে সেদিন থেকে বিএনপি আর জিয়ার বিএনপি থাকেনি; জনগণের বিএনপি হয়ে ওঠেনি।

অতিসম্প্রতি বিএনপি’র বাম ঘরানার নেতারা ইসলাম, মাদরাসা ও আলিম-উলামা নিয়ে যেসব আপত্তিকর মন্তব্য করছেন তাতে দেশব্যাপী মুসলিম জনাসাধরণে বিরূপ ধারণার সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে এডভোকেট ফজলুর রহমানের আপত্তিকর মন্তব্যে আলিম-উলামার বিক্ষুব্ধ হন। বিষয়টি বিএনপির হাইকমান্ডে আলোচিত হয় গুরুত্বের সাথে। সঙ্গতকারণে, আলিম-উলামার দূর্গ বলে খ্যাত হাটহাজারী মাদরাসা ও হেফাজত-আমীরের জামিয়া বাবুনগর পরিদর্শনের দৃশ্য সামনে আসে। এতে বিএনপি’র কয়েকটি উদ্দেশ্য রয়েছে বলে মনে হয়। এক, নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে বিএনপি সম্পর্কে আলিম-উলামার প্রতিক্রিয়া জানা; দুই, আলিম-উলামার সাথে মতবিনিময়ে ক্ষোভ প্রশমিত করা ও তিন, জাতিকে একটি বার্তা দেয়া। আগেও বলেছি, বর্তমান বিএনপি তার উৎসগত আদর্শ থেকে সরে গিয়ে বামঘেষা নীতিতে স্থানান্তরিত হয়েছে। এর দায় কেবল ঢুকে পড়া বামপন্থী নেতাদের নয় খোদ বেগম খালেদা জিয়াকেও নিতে হবে। তিনি একের পর এক নির্বিচারে বামপন্থী নেতাদের হাতে দলটিকে ছেড়ে দিয়েছেন। আজ সেটাই জাতির ঘাড়ে বোঝা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। অথচ তৃণমূলের নেতারা এখনও সেসব নর্দমায়িত চিন্তাধারায় আক্রান্ত হননি।

উক্ত সফর নিয়ে হেফাজতে ইসলামের কোন আনুষ্ঠানিক বক্তব্য আছে কি না, আমার জানা নেই। যদি না থাকে তা দুর্ভাগ্যজনক। কারণ, এসব বিষয় অস্পষ্ট থাকলে তা জনমানসে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করবে। আল্লাহ হাফিয।

06.08.2025    

 

কোন মন্তব্য নেই:

Featured Post

মার্কিন-জামায়াত সম্পর্কের অজানা অধ্যায়

মুহাম্মাদ গোলাম রব্বানী ইসলামাবাদী ভাবনা-৭৭  সম্প্রতি বাংলাদেশের রাজনীতিতে আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মার্কিন-জামায়াতের দৃশ্যম...