ভাবনা-৬৯ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ভাবনা-৬৯ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

হাটহাজারীর ঘটনায় দায় কার?

মুহাম্মাদ গোলাম রব্বানী ইসলামাবাদী

ভাবনা-৬৯ 

গত শনিবার অর্থাৎ ৬ই সেপ্টেম্বর পবিত্র ১২ই রবিউল আউয়াল ব্রেলভী আদর্শের অনুসারীদের জশনে জুলুসকে কেন্দ্র করে হাটহাজারীতে যা ঘটে গেলো বিষয়টি আতঙ্কিত হবার যোগ্য হলেও অপ্রত্যাশিত ছিলো না কারণ, জশনে জুলুসের ঘটনাটি নতুন নয় আমার জানামতে, ১৯৭৪ সাল থেকে আলিয়া কাদেরিয়া সিরিকোটের পীর সাহেব তৈয়ব শাহের নির্দেশে ১২ই রবিউল আউয়াল উপলক্ষে জশনে জুলুসের আয়োজন হতে থাকেচট্টগ্রামে আঞ্জুমানে রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনায় সৈয়দ মুহাম্মদ তৈয়ব সাহেব জুলুসের প্রবর্তন করেন যদ্দূর জানা যায়, ঘটনার সূত্রপাত জুলুসের একটি মিছিল থেকে হাটহাজারী মাদরাসার মসজিদকে উদ্দেশ্য করে এক যুবকের আপত্তিকর অঙ্গুলি প্রদর্শনের একটি অনলাইন পোস্ট থেকেএরপর অভিযোগ আসে, জুলুসকারীরা হাটহাজারী মাদরাসার পশ্চিমে লাগোয়া মাকবারায়ে জামিয়ায় হযরত আহমদ শফী সাহেব রহ. হযরত জুনায়েদ বাবুনগরী রহ.’ কবরে পাথর নিক্ষেপ করে প্রসঙ্গে হাটহাজারী মাদরাসা থেকে আহুত সাংবাদিক সম্মেলনের বক্তব্য শুনলাম ঘটনার সত্যাসত্য জানতে আমি এমন দুজনের সাথে ফোনে কথা বললাম যাঁরা কাছ থেকে ঘটনাকে পর্যবেক্ষণ করেছেন ছাড়া বিভিন্ন পোস্টে বিভিন্ন লেখাও দেখলাম যা কেবল ব্যক্তির ব্যক্তিগত দৃষ্টিভঙ্গীকে প্রকাশ করেসবকিছু বিবেচনায় নিয়ে একটি নিরপেক্ষ আকার কিছু প্রশ্ন দাঁড় করানোর কোন বিকল্প খুঁজে পেলাম না আপাদমস্তক ঘটনা থেকে কিছু জিজ্ঞাস্য বিষয় আপত্তির জায়গা সচেতন পাঠকদের সামনে পেশ করতে হয়:

. আগেই বলেছি, জশনে জুলুসের মিছিল নতুন কোন ঘটনা নয় আর সেই পূর্ব থেকে হাটহাজারীর উত্তরদিকের উপজেলা ফটিকছড়ি আশপাশের এলাকা থেকে ব্রেলভী আদর্শের অনুসারীদের জুলুসের মিছিল ১২ই রবিউল আউয়ালের দিনে চট্টগ্রাম শহরে যাওয়া-আসা করে এটা অনস্বীকার্য যে, এসব মিছিল যাওয়া-আসার সময় যে কোন কওমী মাদরাসাকে অতিক্রমকালে অতিরিক্ত আওয়াযে স্রোগান, চিৎকার, ভাণ্ডারী গান ইত্যাদি চালানো হয়ে থাকেসাথে বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গিতে নাচানাচির দৃশ্যও দেখা যায় জানি না, এগুলো তাদের কোন কিতাবে সুন্নাহ বা নবীর আদর্শ বলে লেখা হয়েছেতবে এসবের পেছনে তাদের একশ্রেণীর মাওলানাদের উস্কানির প্রভাবকে অস্বীকার করা যায় না থেকে প্রধান সড়কের লাগোয়া বাংলাদেশের সর্বপ্রাচীন কওমী মাদরাসা দারুল উলূম মুঈনুল ইসলাম হাটহাজারীর পড়াশোনা, ক্লাস, অবস্থান ইত্যাদিতে ব্যাপক ব্যাঘাত ঘটেএমন কি কোন-কোন সময় এমন ঘটনাও ঘটে যে, নামাযের সময়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকেরা গানবাদ্য বন্ধ রাখলেও ব্রেলভী অনুসারী ভাইয়েরা তা রাখেন নাএগুলো বারবার ঘটে এবং প্রমাণীত সত্য। দেখেছি, আমাদের ফটিকছড়িতে মাইজভাণ্ডারে গরু-মহিষ নেয়ার সময় বিকল্প রাস্তা থাকা সত্ত্বেও ইচ্ছে করেই তারা নাজিরহাট মাদরাসা বা বাবুনগর মাদরাসার পার্শ্বের রাস্তা দিয়ে বিকট শব্দে গান ঢোল-তবলা বাজাতে বাজাতে চলে দৃশ্য এক সময় প্রকট ছিলোএখন বিভিন্ন বাদ-প্রতিবাদে কিছুটা হ্রাস পেয়েছেকখনো কখনো এও দেখা যায়, ওরসের পোস্টার ইচ্ছে করেই মাদরাসার দেয়ালে বা গেইটে লাগিয়ে দেয় অথবা কোন ওরসের ব্যানার মাদরাসার ফটকের সামনে টাঙ্গিয়ে দেয়এগুলো নিঃসন্দেহে গায়ে পড়ে উস্কানি দেয়াগত শনিবারের হাটহাজারীর ঘটনা তাই অপ্রত্যাশিত ছিলো না ব্রেলভী অনুসারীদের এমন কাণ্ডে মাদরাসার শিক্ষকগণকে ছাত্রদের পক্ষ থেকে কোন প্রকার প্রতিক্রিয়া দেখানোর উপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে গলদঘর্ম হতে হয়একটি মাদরাসার গা ঘেঁষে এভাবে বিকট আওয়াযে গানবাদ্য বাজানোকে ছাত্ররা কোনভাবে মেনে নিতে পারেনি বা পারে নাছাত্র হিসাবে কখনো কখনো প্রতিক্রিয়া বাধার বাঁধ ভেঙ্গে ফেলেঘটে যায় গত শনিবারের মতো ঘটনা যে কোন বিবেচনায় ঘটনা একটি উস্কানিমূলক তৎপরতার প্রতিক্রিয়া বৈ কিছু নয়

. সাংবাদিক সম্মেলনে(৭ই সেপ্টেম্বর) পরিচালক মাওলানা খলীল আহমদ সাহেবের নামে বিলিকৃত বক্তব্যে হাটহাজারী মাদরাসার কর্তৃপক্ষ বলেন,

“পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী গতকাল ভোর থেকেই মাদ্রাসার সকল গেট বন্ধ করে দিয়ে গেটে গেটে কড়া পাহারা বসানো হয় এবং মাদ্রাসার কোন ছাত্রকে বাইরে যেতে দেওয়া হয়নি। এতে আমাদের আশা ছিল, কথিত নামধারী সুন্নীরাও সংযত থেকে দারুল উলূম হাটহাজারী মাদ্রাসা এরিয়া অতিক্রম করবে। তাছাড়া, আমরা হাটহাজারী মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ স্থানীয় প্রশাসনকেও অবগত করেছিলাম, যাতে অন্যান্য বছরের মতো হাটহাজারী মাদ্রাসা এরিয়ার উত্তর ও দক্ষিণ অংশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করে জুলুসযাত্রীদেরকে মাইকে বাদ্য-বাজনা করতে নিষেধ করে কিন্তু ফটিকছড়িসহ উত্তর চট্টগ্রামের নামধারী সুন্নীরা চট্টগ্রাম মহানগরীতে কথিত ঈদে মিলাদুন্নবী ও জলুস উদযাপনের লক্ষে গতকাল সকাল ৭টা থেকে শত শত গাড়ি নিয়ে যাওয়ার পথে হাটহাজারী মাদ্রাসার সামনে বিকট শব্দে মাইকে গান-বাজনা, উস্কানীমূলক স্লোগান, অশ্লীল নৃত্য ও কটূক্তিমূলক আচরণ এবং দৃষ্টিকটূ অঙ্গভঙ্গির মাধ্যমে মাদ্রাসার ছাত্রদেরকে উস্কানী দিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করে তোলে। এই সময়ে তারা শাইখুল ইসলাম আল্লামা শাহ আহমদ শফী ও কায়েদে মিল্লাত আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী (রাহ.)এর কবরে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে, যেখানে বাধা দিতে গিয়ে কয়েকজন ছাত্র আহত হয়। এছাড়া তারা জামিয়ার শতবর্ষী বাইতুল কারীম জামে মসজিদের দিকে অশালীন ভঙ্গিমায় ইশারা করার মত ধৃষ্টতা দেখায়। এমনকি মজিদের আযান এবং জামাআত চলাকালীন সময়েও তাদের বাদ্য-বাজনা ও স্লোগান সমানতালে জারি রাখে। তাদের উস্কানীর মাত্রা বাড়তে থাকলে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ থেকে বারংবার অনুরোধ করা হলে দুপুরের পর ২/৩ জায়গায় কিছু পুলিশ মোতায়েন করা হলেও তারা উস্কানী বন্ধে সমর্থ হয়নি।” বিবৃতিতে আরও বলা হয়,

“শত উস্কানী সত্ত্বেও পূর্ব ঘোষণামতে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত মাদ্রাসার সকল গেট বন্ধ ছিল, এ সময়ে কোন ছাত্র বাইরে বের হয়নি এবং সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শন করে। কিন্তু আমাদের সকল সংযম ও ধৈর্যকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে রাতের বেলায় হাটহাজারী বাজারের বিভিন্ন স্থানে প্রয়োজনীয় বাজার ও ওষধ ক্রয় করতে যাওয়া ছাত্রদের উপর তারা দেশিয় বিভিন্ন অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা চালিয়ে শতাধিক ছাত্রকে মারাত্মক আহত ও জখম করে। অনেক দোকানপাটে ভাংচুর চালায় এবং নগদ টাকাসহ দ্রব্যসামগ্রী লুটপাট করে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে আহত বহু ছাত্র এখনো চিকিৎসাধীন। পরীক্ষার জন্য মাদ্রাসায় আসার পথে কিছু ছাত্রের উপরও তারা হামলা চালায় এবং মোবাইল ফোন ও মানিব্যাগসহ আসবাবপত্র কেড়ে নেয়।”

এই হলো, মাদরাসা কর্তৃপক্ষের বর্ণনায় ঘটনার চুম্বকাংশ। এখানে কিছু বিষয় আলোচনার দাবি রাখে। তা হলো, সাংবাদিক সম্মেলনে বলা হয়েছে: পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী গতকাল(৬ই সেপ্টেম্বর) ভোর থেকেই মাদ্রাসার সকল গেট বন্ধ করে দিয়ে গেটে-গেটে কড়া পাহারা বসানো হয় এবং মাদ্রাসার কোন ছাত্রকে বাইরে যেতে দেওয়া হয়নিবিষয়টি তাঁরা থানা-পুলিসকেও জানান বলে দাবি করেন। এখান থেকে প্রতীয়মান হয় যে, মাদরাসা কর্তৃপক্ষ আগে থেকেই বুঝতে পেরেছিলেন যে, কিছু একটা ঘটতে পারে। এই যদি হয়, তবে রাত সাড়ে আটটার পরে ছাত্ররা বের হলো কি করে? গেটের চাবি তো মাদরাসা কর্তৃপক্ষের হাতে থাকার কথা; ছাত্রদের হাতে নয়। তবে কি কর্তৃপক্ষ রাত সাড়ে আটটায় গেট খুলে দিয়েছিলেন? নাকি ছাত্ররা তালা ভেঙ্গে বেরিযে পড়েছিলো? ধরে নিলাম, কর্তৃপক্ষ তালা খুলে দিয়েছিলেন বা ছাত্ররা তালা ভেঙ্গে বেরিয়ে পড়েছিলো। এখন প্রশ্ন হলো, তালা খুলে দেয়া বা ছাত্রদের বেরিয়ে যাবার খবর সাথেসাথে থানা-পুলিসকে কি জানানো হয়েছিলো? মাদরাসা কর্তৃপক্ষ বলেছেন, হামলাকারীরা মিছিল নিয়ে আসার সময় (দিনের বেলায়) হযরত শফী সাহেব রহ. ও হযরত জুনায়েদ বাবুনগরী রহ.’র কবরের দিকে ইট-পাথর ছুঁড়তে থাকে। সেখানে বাধা দিতে গেলে মাদরাসার কয়েকজন ছাত্র আহত হন। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সকাল থেকে কোন ছাত্রকে বের হতে দেয়া হয়নি এবং প্রত্যেক পথে কড়া পাহারা দেয়ার ব্যবস্থা করা হয়। তাহলে কবরে বাধা দিতে যাওয়া ছাত্ররা রাস্তায় এলো কি করে? ওরা তো মাদরাসার ভেতরে থাকার কথা। তবে কি এ কথা বুঝতে হবে, মাদরাসার ছাত্রদের একটি অংশ বাইরেও অবস্থান করছিলো? এ অবস্থান যদি সত্য হয়, তবে কি বুঝতে হবে না কর্তৃপক্ষের জ্ঞাত বা অজ্ঞাতসারে ছাত্রদের একটি অংশ বাইরে অবস্থান করছিলো? এতে কি মাদরাসা কর্তৃপক্ষের দায় এড়ানো সম্ভব?

৩. বিবৃতিতে নিয়োগকৃত পুলিসের ঘটনা প্রতিরোধের ব্যর্থতার কথা উল্লেখ করা হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, দুপুরের পর কিছু পুলিস রাস্তায় দেয়া হয়। প্রত্যক্ষদর্শী হেফাজতে ইসলামের একজন দায়িত্বশীল আমাকে জানান, রাস্তায় মাত্র দু’তিন জন করে পুলিকে বসে থাকতে দেখেছি। বিষয়টি একজন মিডিয়া-সাংবাদিকও আমাকে জানান। বোঝা যাচ্ছে, মাদরাসা কর্তৃপক্ষ স্বীকার করেছেন যে, জুলুসের বিষয়টি অনেক আগে থেকে ফীবছর হয়ে আসছে, তবে তাঁরা সম্ভাব্য আশঙ্কা বুঝতে পেরেও অল্পসংখ্যক পুলিসের উপস্থিতির বিষয়টি থানা বা পুলিসের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছিলেন কি? একদিকে রাস্তায় অপ্রতুল পুলিস ও ছাত্রদের একটি একটি অংশ বাইরে থাকা কি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলেনি?

৪. বলাবাহুল্য, অতীতের প্রত্যেক ১২ই রবিউল আউয়ালের মতো এবারও মাদরাসা কর্তৃপক্ষ সজাগ ছিলেন পরিস্থিতির পরিণতি নিয়ে। কিন্তু একটি দায়িত্বশীল  সূত্র আমাকে জানিয়েছে, ঘটনার সময় মাদরাসার পরিচালক মাওলানা খলীল সাহেব নিত্যদিনের মতো মাদরাসায় অবস্থান না করে মাদরাসার বাইরে নিজস্ব বাসায় অবস্থান করছিলেন। বিষয়টি আমাদের কাছে একেবারে অনাকাঙ্খিত। বিষয়টি সত্য হলে বলতে হয়, তিনি এতো বড় একটি মাদরাসার নির্বাহী প্রধান; সবকিছুর জিম্মাদার, এমন সঙ্কটময় সময় আসতে পারে জেনেই তো তিনি সকাল থেকে গেট বন্ধ করে রেখেছিলেন, পথে পাহারা বসিয়েছিলেন। বিবৃতিতে তো সেটাই বলেছেন। তাই না? তাহলে পরিস্থিতিকে বিবেচনায় না নিয়ে তিনি কেমন করে নিত্যদিনের মতো বাসায় চলে গেলেন? তিনি কি একটি দিন ও রাত মাদরাসায় কাটাতে পারতেন না? এটা কি তাঁর মতো দায়িত্বশীল ও সম্মানী মানুষের জন্য অভাবনীয় নয়? এখানে তাঁর দায় ও দায়িত্বের প্রতি অবহেলাকে কি নির্দেশ করা যাবে না? তিনি নিঃসন্দেহে বড় মাপের মানুষ। কিন্তু যেখানে একটি প্রতিষ্ঠানের সব দায়িত্ব কাঁধে থাকে সেখানে বড় মানুষ বলেই কি তাঁকে দায় থেকে অব্যাহতি দেয়া যায়? এ সম্পর্কে কি তাঁকে আল্লাহর সামনে জবাবদিহী করতে হবে না? মজলিসে শূরা কি এসব বিষয় বিবেচনায় নেবেন? 

সচেতন পাঠক, পরিস্থিতির যথাসাধ্য বিবেচনায় আমি কেবল আমাদের দুর্বলতাকেই চিহ্নিত করার চেষ্টা করেছি। কারণ, অতীতে আমাদের বিভিন্ন কওমী মাদরাসায় বিভিন্ন সময়ে হামলা হয়েছে কিন্তু কখনো সমস্যার গোড়ায় হাত দেয়া হয়নি বা নিজস্ব কোন তদন্ত কমিটি করে কোন রিপোর্ট রক্ষা করা হয়নি। তাই, এসব ঘটনা বারবার ঘটে। মধ্যে কিছু মধ্যম বা নিম্ন সারির শিক্ষকদের দায়িত্বে অবহেলার জন্য হয় তো বিদায় দেয়া হয় কিন্তু শীর্ষ দায়িত্বশীলরা থেকে যান পুরোদস্তুর মাসূম ও মাগফূর। আল্লাহ হাফিয।

08.09.2025     

Featured Post

১১ দল ও ৭ দলের যোগবিয়োগ

মুহাম্মাদ গোলাম রব্বানী ইসলামাবাদী ভাবনা-৮১  গত ১৬ই জুলাই, বৃহস্পতিবার ফটিকছড়ির জামিয়া বাবুনগরে ১১ দলের শরীক ৭টি কওমী দলের আলাদা জোটের ভবিষ্...