মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

জামায়াতের নৈর্বাচনিক অতীত ও ভবিষ্যৎ

মুহাম্মাদ গোলাম রব্বানী ইসলামাবাদী

ভাবনা-৭৩

জামায়াতে ইসলামী কি একটি রাজনীতিক দল না কি ধর্মীভিত্তিক রাজনীতিক দল?সে মীমাংসা এখনো হয়নি পাকিস্তান আমলের জামায়াত আর বাংলাদেশ আমলের জামায়াতের রাজনীতি দেখুন, সে সংশয় জাগবে জামায়াতও বিষয়টি সমাধান করেনি কিন্তু তাদের তৎপরতা দেখে, অতীতের ইতিহাস দেখে নির্দ্ধারণ করা কঠিন: জামায়াতের রাজনীতির চৌহদ্দীর আকৃতি আমার ক্ষুদ্র অভিজ্ঞতায় দেখেছি, তারা সাধারণত একটি বিশেষ কৌশলগত অবয়ব রহস্যজনক অভ্যন্তরীণ খোলসায়িত বলয়ে পদচারণা করতে অভ্যস্ত বিষয়টিকে তারা ভেতরের পরম্মপরায় অনুশীলনে রূপ দিয়ে থাকেন নিঃসন্দেহে তারা কঠোর নিয়ম ব্যবস্থাপনার বেড়াজালে নিজেদের আবৃত করে রাখে তারা যা বলে তা কতোটুকু বিশ্বাস করেসে বিষয়ে অন্যদেরকে সংশয়ে রাখাকে তারা সাফল্য হিসাবে দেখতে চায় সংশয় থেকে তাদের বলয়ের বাইরের মানুষের কাছে তাদের নিয়ে বিস্তর প্রশ্ন উত্থাপিত হয় তেমনই একটি সংশয় বা সন্দেহ: জামায়াত কি নিছক একটি প্রচলিত গণতান্ত্রিক রাজনীতিক দল না কি ধর্মীভত্তিক রাজনীতিক দল? প্রশ্নের আরও কারণ আছে এক সময় জামায়াতকে দেশের সেক্যুলারগোষ্ঠী তাদের আন্তর্জাতিক বন্ধুরা জঙ্গী সংগঠন হিসাবে দেখতো জামায়াতের জন্য বিষয়টি স্বস্তির ছিলো না তাই তা থেকে বেরুতে জামায়াত চেষ্টার কম করেনি বিশেষত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশগুলোর সাথে সম্পর্কন্নোয়নে তারা ছিলো তৎপর তারা যে কাজে সফল হয়নি তা নয় ইতোমধ্যে জামায়াত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জঙ্গীর খাতা থেকে বেরিয়ে অজঙ্গী লাইসেন্স লাভ করেছে ভারতের সাথেও সম্পর্কন্নোয়নের চেষ্টা করতে গিয়ে তারা ভারতকে বন্ধু মনে করে এবং তারা ভারতবিরোধী নয়এমন বক্তব্যও দিয়েছে

অনেকের মনে থাকবার কথা, আওয়ামী আমলে নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধন পেতে তারা প্রচলিত গণতন্ত্রের স্বার্থে গঠনতান্ত্রিক মৌলিক নীতিতেও পরিবর্তন আনে উদাহরণসরূপ বলা যায়, ১৯৯৬ সালে প্রকাশিত জামায়াত তাদের মেনিফেস্টোতে(সাংবিধানিক সংস্কার-) উল্লেখ করে:

. সর্বশক্তিমান আল্লাহর সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে বাংলাদেশকে  বাংলাদেশকে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করা হবে

. কুরআন সুন্নাহই হবে প্রজাতন্ত্রের সকল আইনের উৎস

. কুরআন-সুন্নাহর আলোকে সংবিধানে প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনা হবে

কিন্তু ২০১৯ সালের ২২তম সংশোধনীযুক্ত গঠনতন্ত্রে(ধারা-) বলা হয়:

বাংলাদেশে নিয়মতান্ত্রিক গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ন্যায় ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করা এবং মহান আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি অর্জন

জামায়াতের মেনিফেস্টো ২০০৮ও তাদের নৈতিক পরিবর্তনের সাক্ষী জামায়াতের নীতিগত পরিবর্তন জামায়াতের দীর্ঘদিনের মিশন লক্ষ্য সম্পর্কে জনগণের মাঝে সংশয়ের সৃষ্টি করে এখন জামায়াত কুরআন-সুন্নাহর আলোকে দেশ গড়ার পরিবর্তে নিয়মতান্ত্রিক গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে দেশ সমাজ গড়ার পথে আগুয়ান আমি প্রশ্ন তুলেছিলাম, জামায়াতের স্বীকৃত ঘোষিত সত্ত্বার চরিত্র বৈশিষ্ট্য নিয়ে জামায়াত আসলে কি চায়? প্রশ্নের মীমাংসা আজও হয়নি তবুও আমার মতে ধর্মভিত্তিক রাজনীতিক দল না বলে ধর্মাশ্রিত গণতান্ত্রিক দল বলাটাই যুক্তিযুক্ত হবে তাহলে জামায়াতের চরিত্র বৈশিষ্ট্য নিয়ে সমালোচকদের বিশেষ কিছু বলার থাকবে না জামায়াত নিয়ে তাদের অবস্থান পরিস্কার করতে পারে তারা দলের নামও জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ পরিবর্তে গণতান্ত্রিক জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশরাখতে পারে আমার মনে হয়, এখানটায় অবস্থান পরিস্কার করতে না পারলে জামায়াতের রাজনীতি সংশয়পূর্ণ সন্দেহের আবর্তেই থেকে যাবে জামায়াত আসলে ইসলামী দল কি নাসে প্রশ্নেরও আক্রমণ থেকে যাবে এমনিতেই জামায়াতের ইসলামী হবার বিষয়ে দেশের উলামায়ে কেরামের ভিন্নমত আছে সংশয়ের বিষয়গুলোকে সমাধান করা না গেলে জামায়াতের রাজনীতি নিয়ে যেমন কথা উঠবে তেমনি ভোটের বাক্সেও তাদের রায় আসার ক্ষেত্রকে কম্পমান করে রাখবে

আমার বক্ষ্যমান প্রবন্ধের মূল বিষয় হলো, জামায়াতের নির্বাচনসংক্রান্ত অতীতের আলোকে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে তাদের চাওয়া-পাওয়ার অবতারণা চব্বিশের বিপ্লবের পর এবং সম্প্রতি ডাকসু জাকসু ফলাফলে জামায়াত, শিবির তাদের সমমনা মানুষজন ভাবতে শুরু করেছেন: আগামী ত্রয়োদশ সংসদীয় নির্বাচনে জামায়াতের ভিন্ন চেহারা দেখা যাবে আমি বিষয়টিকে অতো সহজ ভাবি না কারণ, -দেশের মানুষ, তাদের মনন, ইতিহাস-বিবেচনা তাদের উপর আলিম-সমাজের প্রভাবকে সামনে রাখলে জামায়াতের নৈর্বাচনিক ফলাফল নিয়ে সচ্ছন্দে হাত-পা নাড়ার সুযোগ নেই জামায়াত সেটা কতোটুকু বোঝে, আমার জানা নেই মনে রাখতে হবে, ডাকসু জাকসু ফলাফল একটি নির্দিষ্ট গণ্ডি শ্রেণীর মধ্যে সীমাবদ্ধ এগুলো নিয়ে জাতির একটি ক্ষুদ্র অংশের সচেতনতা থাকলেও বৃহৎ জনগোষ্ঠীর জানাশোনা কম অথচ বৃহৎ জনসংখ্যার ফয়সালাই চূড়ান্ত ফল ঠিক করবে হ্যা, ছাত্র-সংসদের নির্বাচন হয় তো একটি সাময়িক আলোচনার জন্ম দেবে কিন্তু বিশাল সাগরের তুলনায় তা নগণ্য তাছাড়া জাতীয় নির্বাচন হবে আগামী সালের ফেব্রুয়ারীতে সে বেশ দেরি ততোদিনে ওসব নির্বাচনের কথা আলোচনার টেবিল থেকে বিদায় নেবে ছাত্র-সমাজও নির্বাচনের সেই স্মৃতি ভুলে জাতীয় নির্বাচনের স্বপ্নে বিভোর হবে

বলছিলাম, জামায়াতের রাজনীতি নিয়ে অতীতের দিকে তাকালে দেখা যায়, বাংলাদেশের রাজনীতিতে জামায়াত মোট পাঁচ বার নির্বাচন থেকে দূরে থাকে এর মধ্যে একবার দল হিসাবে নিষিদ্ধ হয় ১৯৭৩ সালে, দুবার দলের নিবন্ধন বাতিল ২০১৪ ২০২৪ সালে তারা নির্বাচন বর্জন করে দুবার ১৯৮৮ ১৯৯৬(ফেব্রুয়ারী)তে নির্বাচনে অংশ নেয় প্রথম ১৯৭৯ সালে(আইডিএল), ১৯৮৬ সালে, ১৯৯৬(জুন) সালে, ২০০১ সালে, ২০০৮ সালে এবং ২০১৮ সালে এসব নির্বাচনে জামায়াতের আসন সংখ্যা: ১৯৭৯তে , ১৯৮৬তে ১০, ১৯৯১- ১৮, ১৯৯৬তে , ২০০১- ১৭, ২০০৮- এবং ২০১৮তে এর মধ্যে আবার জামায়াত ২০১৮ সালে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করে প্রাপ্তভোটের শতকরা হারে তারা পায় ১৯৮৬ সালে .%, ১৯৯১ সালে ১২.১০%, ১৯৯৬ সালে .৬০%, ২০০১ সালে .২৮% এবং ২০০৮ সালে .৭০% ভোট চিত্রের দিকে তাকালে জামায়াতের অতীতের নৈর্বাচনিক ছবি খুব একটা সুখকর নয় মধ্যখানে৯১ সালেরটা বাদ দিলে বাকি পরিসংখ্যান খুবই দরিদ্র অন্তত তাদের পরিচিত সাংগঠনিক কর্মদক্ষতার প্রচারের তুলনায় এখন প্রশ্ন হলো, বর্তমানে জামায়াত কোন অবস্থানে আছে? বিশেষত বিগত ১৭ বছরের জালিম শাহীর শোষণপরবর্তী২৪- বিপ্লবের উত্তরাধিকার হিসাবে জামায়াত নিজেদের সমর্থনকে কোন অবস্থায় নিয়ে যেতে পেরেছে বলে মনে হয়? প্রশ্নের জবাব খুঁজতে আমি
কিছু অনলাইন-সূত্র তথ্যকে অবলম্বন করি জরিপকৃত তরুণদের ভাষ্য থেকে নেয়া তথ্যমতে জামায়াতের বিভাগভিত্তিক হার: ঢাকাতে ২৪.১০%, চট্টগ্রামে ২৬.৩০%, রাজশাহীতে ১৮.৭০%, খুলনায় ১৯.৪০%, বরিশালে ১৫.২০%, সিলেটে ২২.৬০%, রংপুরে ১৭.৯০% এবং ময়মনসিংহে ২০.৩০% নারীদের
মধ্যে জামায়াতের বিভাগভিত্তিক সমর্থন চট্টগ্রামে ১৪-১৬%, ঢাকাতে ১২-১৪%, সিলেটে ১৩-১৫%, খুলনায় ১০-১২%, রংপুরে -১০%, রাজশাহীতে -১১%, ময়মনসিংহে ১০-১২% এবং বরিশালে -% তরুণদের কাছ থেকে নেয়া এই জরিপ মাঠের আসল খেলায় কতোটুকু বাস্তাবায়িত হবে তা কেউ জানে না যে জায়াগাটা সবচেয়ে বেশি জরিপে প্রতিভাত হয়েছে তা হলো, এখনো সিদ্ধান্ত নিতে না পারা ভোটারের হার যা ছিলো ২০২৪- ৩৭.৬০% তা ২০২৫- দাঁড়িয়েছে ৪৮.%- সুতরাং খেলাটা হবে এখানেই জামায়াতের নিজস্ব ভোটব্যাংক হয়তো আছে কিন্তু তার বাইরে কতোটুকু সংগ্রহ করতে পারবেসেটাই গুরুত্বপূর্ণ মনে রাখা দরকার, ডাকসু জাকসুতে যে বিপুলসংখ্যক ছাত্র-ছাত্রী শিবির-সমর্থিত প্রার্থীকে ভোট দিয়েছে তারা একবাক্যে বলেছে: তারা শিবিরের রাজনীতি বা তাদের আদর্শকে পছন্দ করে ভোট দেয়নি তারা দিয়েছে ভার্সিটির অভ্যন্তরীণ বিষয়কে বিবেচনায় নিয়ে সুতরাং বাংলাদেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর কতোটুকু অংশ জামায়াতকে সংসদীয় নির্বাচনে সমর্থন দেবেতার উত্তর মোটেও সরল নয়  

বলাবাহুল্য, সরকারের কথা মতো এখনো নির্বাচনের বাকি চার মাস চার মাসে রাজনীতিক পরিস্থিতির অনেক কিছু বদলে যেতে পারে তাই, যে দলই হোক না কেন এখনি স্বপ্নে বিভোর না হওয়াই ভালো যারা স্বপ্নে মগ্ন হবে তাদেরকেই ঘুম ভেঙ্গে মাথায় হাত দিতে হতে পারে জামায়াতের জন্য আসন্ন নির্বাচনের আগের দিনগুলোতে কিছু বিপদ আসার সম্ভাবনা রয়েছে এখন কেউকেউ জামায়াতের সাথে কিছু ইসলামী দলের জোট বাঁধার যেসব কথা বলছেন, আমার মনে হয় না তা সহজে ঘটবে কারণ, জোটের কথা কেবল বাহ্যিক; ভেতরের নয় প্রতিটি দলেই চাইবে নিজেদের অবস্থা সংহত করতে জোট হলেও সেখানটায় স্বার্থপরতার ঘাটতি হবে না আর জামায়াতের নিজস্ব কৌশলগত রাজনীতির মুখোমুখী হয়ে অন্য দলগুলো কতোটুকু নিজেদের স্বাতন্ত্র্য অক্ষুণ্ন রাখতে পারবেতা এক চ্যালেঞ্জের বিষয় হয়ে দাঁড়াবে জামায়াতকে নিয়ে আসন্ন নির্বাচনের পূর্বে যে কিছু বিপদের কথা বলেছি, সেগুলো হচ্ছে:

. ’৭১- তাদের ভূমিকার প্রশ্ন তাদের ক্ষমা চাওয়ার বিষয়টি প্রাধান্য পেতে পারে এখানে জামায়াত অতীতের মতো সরাসরি কথা না বলে কৌশল অবলম্বন করবে বলে মনে হয় তেমনটি ঘটলে জামায়াতবিরোধী একটি বলয় দেখা দেবে যা পরোক্ষভাবে বিএনপি আশ্রয় লাভ করতে পারে ধরনের পরিস্থিতিতে ঘাঁপটিমারা ফ্যাসিবাদের দোসররা, কথিত সুশীলরা, জাফর ইকবালের মতো বুদ্ধিবেপারীরা সর্বোপরি ‘র’ সুযোগ অবশ্যই নেবে জামায়াত যদি আনুষ্ঠানিকভাবে জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার সৎসাহস দেখাতে পারে তবে কিছুটা রক্ষা হতে পারে এখনো জাতির বৃহত্তম অংশ৭১- ব্যাপারে জামায়াতের কৌশলগত দুঃখ-প্রকাশ এবংযদি আশ্রয় নেয়াকে পাকিস্তানের কর্তাব্যক্তিদের কৌশলের অনুরূপ মনে করছে এটা জামায়াতের জন্য সমূহ বিপদের কারণ হবে মনে রাখতে হবে, জামায়াত সম্পর্কে প্রশাসনের উল্লেখযোগ্য অংশ এখনো বিরূপ ডাকসু বা জাকসু মতো ফলাফলে তা প্রভাবিত হবে বলে মনে হয় না সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে বলা যেতে পারে, ত্রয়োদশ নির্বাচনের আগে জামায়াতবিরোধী একটি শক্তির উত্থান ঘটতে পারে যা জামায়াতের কৌশলগত ভুলের কারণে শক্তি বৃদ্ধি করবে বলে মনে হয়

. আসন্ন নির্বাচনের আগে জামায়াতের আরেক প্রতিপক্ষ হতে পারে হেফাজতে ইসলাম ইতোমধ্যে হেফাজত আমীরের জামায়াতের মওদূদী-মতাদর্শের বিরুদ্ধে দেয়া বক্তব্য হালে পানি পেতে শুরু করেছে কিছুদিন আগেও বিষয়টি নিয়ে আলিম-সমাজের মধ্যে নীরবতা থাকলেও এখন আওয়ায বড় হচ্ছে হেফাজতের এমন অবস্থান বিস্তৃত হলে জামায়াত বেকায়দায় পড়বেকারণ, দেশের তৃণমূলে হেফাজতভুক্ত আলিম-সমাজের যে গভীর প্রাতিষ্ঠানিক নেটওয়ার্ক রয়েছে তা জামায়াতের জন্য বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়াবে হেফাজত আমীর মাওলানা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সম্প্রতি দেয়া বক্তব্য: জামায়াত ক্ষমতায় গেলে দেশে কওমী মাদরাসা রাখবে না, জামায়াতের জন্য রীতিমতো মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়াবে। আমার ক্ষুদ্র অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, জামায়াত কোন সমস্যাকেই সমূলে সমাধান করতে চায় না। বিভিন্ন কৌশলে তারা সমস্যাকে জিইয়ে রেখে নিজেদের ষোল আনা আদায় করতে চায়। এখানেই জামায়াতের ভুল রাজনীতির মূল নিহীত।

মোদ্দাকথা, বাংলাদেশে জামায়াতের রাজনীতিক ভবিষ্যৎ সংশয়পূর্ণ। সাংগঠনিকভাবে তারা হয়তো অন্যদের চেয়ে দশগুণ এগিয়ে কিন্তু ভোটের রাজনীতিতে তারা বারবার নিজেদের ভুলে খেসারত দেয়। এটাই সম্ভবত তাদের নিয়তি।  সেখান থেকে তারা যে বেরুতে পারবে, তেমন মনে হয় না। বিভিন্ন জরিপে প্রদর্শিত তাদের সমর্থন ও ভোটের পরিসংখ্যান মাঠে কতোটুকু সমর্থন করে, তাই বিবেচ্য।

16.09.2025

কোন মন্তব্য নেই:

Featured Post

মার্কিন-জামায়াত সম্পর্কের অজানা অধ্যায়

মুহাম্মাদ গোলাম রব্বানী ইসলামাবাদী ভাবনা-৭৭  সম্প্রতি বাংলাদেশের রাজনীতিতে আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মার্কিন-জামায়াতের দৃশ্যম...